(পর্ব-৩) মনের মিলন – বাংলা কমিক্স – Moner Milon – Bangla Comics

মনের মিলন বাংলা কমিক্স পর্ব-৩ পাচ্ছেন শুধুমাত্র golpoz.com ওয়েবসাইটে!! সম্পূর্ণ ফ্রিতে Moner Milon Bangla Comics Part-3 পড়ুন এখানে.. ৬০ বছরের বুড়োর সাথে ২০ বছরের মেয়ের রোম্যান্স আপনাকে বিনোদন দিবে ভরপুর..

মনের মিলন বাংলা কমিক্স (পর্ব-৩)

নোহা: তুই রাহাত স্যার?? দেখাচ্ছি মজা..

রাহাত: আরে.. থামো..

নোহা: তুই গুপ্তচর!! আজকে.. তুই শেষ..

রাহাত: ড. সোফিয়া.. Code 31!! Code 31..

নোহা: Code 31!! রাহাত স্যার!! সে কিভাবে রাহাত স্যার হবে!! চেহারা এতো পাল্টে গেলো কিভাবে?? আপনি কি আসলেই রাহাত স্যার??

নোহা: Sorry.. Sir.. আপনার বয়স.. এতো কমলো কিভাবে??

রাহাত: তুমিও চিনতে পারোনি??

নোহা: স্যার.. ব্যথা কি বেশি পেয়েছেন??

রাহাত: এই বুড়ো বয়সে.. তোমার মতো তরুণীর লাথি..

নোহা: আপনি তো বুড়ো নেই..

রাহাত: আরে.. বাইরে যুবক.. ভেতরে তো.. বুড়ো ই..

নোহা: কি হয়েছে স্যার??

রাহাত: হঠাৎ.. সব ব্যথা.. গায়েব..

নোহা: এটা কিভাবে সম্ভব??

রাহাত: আমি নিজেও জানি না!!

রাহাত: আমার তো.. কোনো ব্যথা ই নেই!! আমি একাই যেতে পারবো..

(নোহা) এতো জোরে Kick করলাম.. এতো তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে গেলো!!

রাহাত: কিরে লতিফ.. কোথায় যাচ্ছিস?? আমি তো.. তোর বাসায় ই যাচ্ছিলাম..

(লতিফ) আমার নাম ধরে ডাকছে!!

লতিফ: ঐ পোলা.. কে তুই?? আমার নাম ধরে ডাকছিস কোন সাহসে??

(রাহাত) এখন ওকে কিভাবে বোঝাবো.. আমি ই ওর বন্ধু রাহাত!! Code 31.. বললে তো.. কাজ হবে না!! কি যে মুশকিলে পড়েছি.. বয়স কমিয়ে.. পরিচয়হীন আমি.. এখন কি করবো?? কিছু একটা তো করতেই হবে..

রাহাত: দয়া করে.. কথা শুনুন.. আপনার মেয়েকে.. আমি পছন্দ করি.. বিয়ে করতে চাই..

(লতিফ) ফাইজার বয়ফ্রেন্ড নাকি!!

লতিফ: তোর জন্য ই.. আমার মেয়ে.. রাহাতকে বিয়ে করতে চাইছে না..

রাহাত: আরে.. আমি ই রাহাত..

রাহাত: ব্যাংকে তোর ১ কোটি টাকা লোন পরিশোধ করতে হবে..

লতিফ: এটা শুধুমাত্র.. রাহাত ই জানে.. তাহলে কি তুই ই রাহাত!!

রাহাত: এখন বিশ্বাস হয়েছে??

লতিফ: তোকে তো যুবক বয়সের রাহাত মনে হচ্ছে..

রাহাত: ফাইজার জন্য.. প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছি..

লতিফ: টাকা থাকলে.. সবই সম্ভব.. তুই প্রমাণ করলি..

(ফাইজা) এটা ছোট হয়ে যাবে মনেহচ্ছে.. আরেকটু বড় দরকার..

(ফাইজা) সামনে বিয়ে.. একা একাই শপিং করছি.. বাবা-মা যেই বুড়োর সাথে বিয়ে দিচ্ছে.. কাউকে বলতেই লজ্জা লাগে.. বিয়ের পরে যে কি হবে!!

(রাহাত) বিয়ের শপিং চলছে তাহলে.. একটু মজা করা যাক..

(ফাইজা) কিন্তু.. বুড়োটা হঠাৎ.. কোথায় হারিয়ে গেলো?? আজকে.. খবর নেই!!

রাহাত: I Love You..

ফাইজা: আরে.. কিসের I Love You?? কে আপনি??

ফাইজা: হাত ছাড়ুন বলছি..

রাহাত: ঠিকাছে!! ঠিকাছে..

ফাইজা: ১০ হাত দূরে থাকুন.. আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে..

রাহাত: আমি জানি.. এক বুড়োর সাথে.. বিয়ে হচ্ছে তোমার..

ফাইজা: বুড়োকেই বিয়ে করবো.. আপনার কোনো সমস্যা??

রাহাত: তুমি আসলেই সবার চেয়ে আলাদা..

রাহাত: নাও.. কথা বলো.. তোমার বাবার সাথে..

ফাইজা: বাবার সাথে!! মানে কি??

ফাইজা: Hello.. আব্বু..

(রাহাত) এতক্ষণ তোমার পরীক্ষা নিচ্ছিলাম.. পরীক্ষায় তুমি পাশ করেছো..

লতিফ: Hello.. ফাইজা মা.. রাহাত চেহারায় প্লাস্টিক সার্জারি করেছে.. আমিও ওকে প্রথমে চিনতে পারিনি.. তোর জন্য নিজেকে বুড়ো থেকে যুবক বানিয়েছে..

(ফাইজা) সবই বুঝলাম.. আবার.. কিছুই বুঝলাম না..

ফাইজা: আচ্ছা.. ঠিকাছে..

(রাহাত) সবকিছু ওর মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে..

(ফাইজা) বাবা আজকে অনেক খুশি..

ফাইজা: বাবা বললো.. আসলেই কি আপনি.. রাহাত সাহেব??

রাহাত: বিশ্বাস হচ্ছে না??

ফাইজা: না..

(ফাইজা) তাই বলে চেহারার এতো পরিবর্তন.. এটা কিভাবে সম্ভব??

রাহাত: এখন তো হাতটা.. ধরতেই পারি.. তাই না??

ফাইজা: হুমম..

রাহাত: তোমার ব্যাগের ভেতরে কি??

ফাইজা: জানি না!!

রাহাত: আমার ভালোবাসার লাল গোলাপ.. তোমার জন্য..

ফাইজা: হি হি হি..

(ফাইজা) বুড়োটা.. রোম্যান্টিক হয়ে গেছে..

রাহাত: তোমার শপিং ব্যাগে কি আছে.. সেটা আমি জানি!!

ফাইজা: আপনি কিন্তু.. অনেক দুষ্টু হয়ে গেছেন..

(ফাইজা) চেহারার সাথে মনটাও পরিবর্তন হয়েছে..

রাহাত: আশা করি.. এখন আমাকে বিয়ে করতে.. তোমার কোনো সমস্যা নেই..

ফাইজা: জানি না!!

রাহাত: জানি না.. মানেই তো.. “হ্যা”..

ফাইজা: তাই বুঝি??

রোজিনা: কি ব্যাপার!! আজকে এতো খুশি??

লতিফ: রাহাত.. ১ কোটি ১০ লাখ টাকা দিয়েছে.. ১ কোটি দিয়ে ব্যাংক লোন পরিশোধ করেছি.. বাকি ১০ লাখ ফাইজার বিয়ের খরচ..

রাহাত: ফাইজা.. চলো.. এই শোরুমের ভেতরে যাই..

ফাইজা: দুষ্টু ছেলে.. এখানে খোলামেলা ড্রেস..

রাহাত: ভাগ্যিস.. দুষ্টু বুড়ো বলোনি..

ফাইজা: হি হি হি..

রাহাত: কোনটা পছন্দ হয়??

ফাইজা: জানি না!! চলুন এখান থেকে.. খুব লজ্জা করছে..

রাহাত: আমার কিন্তু.. এটা পছন্দ হয়েছে.. নিবো এটা??

ফাইজা: আপনার ইচ্ছা!! পুরাই দুষ্টু হয়ে গেছেন..

রাহাত: হা হা হা..

ফাইজা: এমন সব ড্রেস কিনে দিয়েছেন.. কারো সামনে পরতেও পারবো না.. এমনকি কাউকে দেখাতেও পারবো না!!

রাহাত: হা হা হা..

ফাইজা: বাসায় যেতে হবে তো..

রাহাত: চলো.. পৌছে দেই..

ফাইজা: আচ্ছা..

Moner Milon Bangla Comics (Part-3)

৩ নাম্বার পর্বে Moner Milon Bangla Comics রোম্যান্স দিয়ে ভরপুর! রাহাত তো আর আগের মতো বুড়ো নেই.. সে এখন হয়ে গেছে যুবক! আর যেখানে আছে যুবক-যুবতী সেখানেই থাকবে দুষ্টু-মিষ্টি প্রেম-ভালোবাসা.. তাছাড়া রাহাতের সাথে ফাইজার বিয়ে হয়ে চলেছে.. এখনই তো রোম্যান্স করার উপযুক্ত সময়!

যাই হোক, এই তৃতীয় পর্বের প্রথমেই রাহাত নোহার কাছে উরাধুরা মাইর খায়!! আর মাইর খাওয়ার পরে একেবারে ১২টা বেজে যায়.. কারন নোহা কিন্তু কোনো সাধারণ মেয়ে না!! সে গোয়েন্দা বাহিনীর একজন দক্ষ সদস্য..

অনেকেই হয়তো মনে করে থাকেন যে গয়েন্দা বাহিনীর লোকেদের কাজ হচ্ছে লুকিয়ের শত্রুদের সাথে মিশে গোপনে খবর বা তথ্য সংগ্রহ করা.. কিন্তু বাস্তবে কিন্তু গোয়েন্দা বাহিনীর লোকেরা অনেক বেশি দক্ষ হয়ে থাকে, কারন তাদের পদে-পদে বিপদ!! যাই হোক.. নোহা ভেবেছিল রাহাত হয়তো শত্রুদের পক্ষে কাজ করা কোনো লোক!!

তাই নোহা রাহাতকে একেবারে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে নিয়েছিলো!! কিন্তু সঠিক সময়ে রাহাত “Code 31” বলাতে বেঁচে যায়!! আসলে “Code 31” এর ব্যাপারটা যারা বুঝতে পারননি, তাদের বুঝিয়ে বলছি.. যেহেতু রাহাত সাহেবের চেহারা পরিবর্তন হয়ে গেছে.. সে আর আগের মতো নেই..

তাই ড. সোফিয়া রাহাতের একটা নাম দেখেছে.. সেই নাম হচ্ছে “Code 31”.. যখন রাহাত নোহাকে “Code 31” বলেছে, তখন নোহা বুঝে গেছে যে এটাই রাহাত.. এর কারন হচ্ছে.. যখন কারো Code Name রাখা হয়, তখন অন্য সবাইকে জানিয়ে দেয়া হয়.. এতে সবাই বুঝতে পারে তার পরিচয়!!

যেহেতু রাহাত সাহেবের চেহারা পরিবর্তন হয়ে গেছে, তাকে আর কেউ চিনতে পারছে না, তাই ড. সোফিয়া বুদ্ধি করেই রাহাত সাহেবের নাম “Code 31” রেখে সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে.. এতে রাহাতের চেহারা কেউ চিনতে না পারলেও তার Code Name এর মাধ্যমে বুঝতে পারবে যে এটাই রাহাত সাহেব!!

এখানে আরেকটা বড় ঘটনা ঘটেছে.. সেটা আপনাদের মধ্যে কতোজন খেয়াল করেছেন জানি না.. রাহাত কিন্তু নোহার কঠিন মার খাওয়ার পরেও খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়!! মানে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাহাতের ব্যথা দূর হয়ে যায়, আর এতে নোহা খুব অবাক হয়ে যায়!! নোহা মনে-মনে ভাবতে থাকে এটা স্বাভাবিক ঘটনা না..

এভাবেই রাহাত সাহেবের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় রাত পার হয়ে যায়!! তবে এখন থেকে আর রাহাত সাহেব না বলে শুধু রাহাত বললে ভালো হতো না?? সে যেহেতু যুবক হয়েই গেছে, তাকে আর বুড়ো মানুষের মতো সাহেব ডেকে কি লাভ!!

তারপর সকালেই শুরু হয় মজার কাহিনী.. রাহাত যখন ফাইজার বাবার সামনে যায়, মানে রাস্তায় দেখা হয়, তখনই মজার এক কান্ড ঘটে যায়.. যেহেতু রাহাত আর আগের মতো বুড়ো নেই, যুবক হয়ে গেছে, সেহেতু ফাইজার বাবা রাহাতকে চিনতে পারিনি..

কিন্তু রাহাত তো ফাইজার বাবাকে “তুই” বলে সম্বোধন করছে.. যেহেতু তারা বন্ধু.. আগেও তুই করেই বলতো.. কিন্তু তুই বলাতে লতিফ সাহেব তো রেগে আগুন হয়ে যায়!! ছেলের বয়সী একটা লোক তাকে তুই করে বলছে!! এটা কি সে মেনে নিতে পারে নাকি??

এদিকে রাহাত তো ঝামেলায় পরে যায়.. নোহাকে তো Code 31 বলে বোজাতে পেরেছিলো.. কিন্তু লতিফ সাহবেকে তো এইসব Code Name বলে বোঝানো সম্ভব না!! তাই রাহাত এমন ভান করতে শুরু করে যে, সে ফাইজাকে পছন্দ করে, বিয়ে করতে চায়, তাই লতিফ সাহেবের সাথে দেখা করতে এসেছে..

কিন্তু এদিকে লতিফ সাহবে আবার রাহাতকে ফাইজার বয়ফ্রেন্ড মনে করতে মারধর করতে শুরু করে.. যেহেতু লতিফ সাহেবের কাছে রাহাত এখন অপরিচিত মুখ, আর রাহাত হুট করে এসেই ফাইজাকে পছন্দ করার কথা বলছে.. তাই লতিফ সাহেব মনে করে, এটাই সেই ছেলে, যেই ছেলের জন্য তার মেয়ে রাহাতকে বিয়ে করতে চাইছে না!! যদিও এই ছেলেটাই রাহাত!!

রাহাত তো অনেক বোঝানোর চেষ্টা করছে যে, সে ই রাহাত!! কিন্তু লতিফ সাহেব বলছে যে, তার জন্যই নাকি ফাইজা রাহাতকে বিয়ে করতে চাইছে না!! কি যে একটা অবস্থায় পরেছে রাহাত!! সে মনে-মনে ভাবতে থাকে, যুবক হয়ে সে নিজের পরিচয়টাই হারিয়ে ফেলেছে..

কিন্তু ভাগ্য ভালো রাহাত সঠিক সময়ে লতিফকে বলে যে, ব্যাংকে লতিফের ১ কোটি টাকা লোন পরিশোধ করা বাকী আছে!! আর এই কথা শুনেই লতিফ সাহেব অবাক হয়ে যায়!! কারন লতিফ সাহেবের যে ব্যাংকে ১ কোটি টাকা লোন আছে সেটা শুধুমাত্র রাহাত ই জানতো!!

অবশেষে লতিফ সাহেব বুঝতে পারে যে.. তার বন্ধু রাহাত এখন বুড়ো থেকে যুবক হয়ে গেছে.. আর এর কারন হিসেবে রাহাত বলে যে সে তার চেহারায় প্ল্যাস্টিক সার্জারি করিয়েছে.. লতিফ তো অনেক খুশি হয়ে যায় রাহাতকে যুবক রুপে দেখে!!

কারন সে যদিও টাকার জন্য তার মেয়ে ফাইজাকে রাহাতের সাথে বিয়ে দিতে রাজি হয়েছে, কিন্তু রাহাত দেখতে একেবারেই বুড়ো ছিলো, আর এই জন্য সবাই তাকে বাজে কথা বলছিলো!! এমনকি ফাইজাও রাজি ছিলো না এই জন্যই!!

এরপর ফাইজাকে দেখা যায় একটা শপিং মলে ব্রা কিনতে.. তাছাড়া যে বিয়ের জন্যও কিন্তু কেনাকাটা করতে এসেছিলো.. তবে সে মনে-মনে রাহাতের কথাও ভাবছে.. বিয়ের পরে কি হবে সেইসব নিয়ে ভাবছে.. তাছাড়া এটাও খেয়াল করা গেছে যে ফাইজা বুড়ো রাহাতকে মিস করছিলো.. কারন আজকে তার কোনো খোঁজ-খবর ছিলো না!!

হঠাৎ করেই যুবক রাহাত একটা গোলাপ ফুল নিয়ে ফাইজার সামনে হাজির হয়ে যায়, আর স্বাভাবিক ভাবেই ফাইজা নতুন রুপে ফিরে আসার এই রাহাতকে চিনতে পারে না!! রাহাত তো একেবারে হাঁটু ভেঙ্গে বসে ফাইজাকে I Love You বলে দেয়..

স্বাভাবিক ভাবেই অপরিচিত কারো মুখ থেকে রাস্তায় সবার সামনে I Love You শুনলে বিব্রত হওয়ার ই কথা!! অন্যদিকে রাহাত তো ফাইজার হাত ধরে ফেলে.. এতে ফাইজা রেগে গিয়ে যুবক রাহাতকে বলে যে, তার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে, সে যেনো তার থেকে ১০ হাত দূরে থাকে!!

এই কথা শুনে যুবক রাহাত আরো কঠিন পরীক্ষা নেয়ার জন্য ফাইজাকে বলে যে, সে জানে ফাইজার সাথে এক বুড়ো লোকের বিয়ে হচ্ছে.. যেহেতু ফাইজা বুড়ো রাহাতকে বিয়ে করতে চাইছিলো না, তাই যুবক রাহাত ফাইজাকে নিজের প্রতি আকর্ষিত করার জন্য এটা বলে..

এক কথায় বলতে গেলে, যুবক রাহাত ফাইজাকে বোঝাতে চাইছে যে, বুড়োকে বিয়ে না করে আমার মতো হ্যান্ডসাম ছেলেকে বিয়ে করো!! কিন্তু ফাইজা যুবক রাহাতকে উপযুক্ত একটা জবাব দেয়.. ফাইজা যুবক রাহাতকে বলে যে, সে বুড়োকেই বিয়ে করবে!!

আর এটা শোনার পরে রাহাত একেবারেই নিশ্চিত হয়ে যায় যে, ফাইজা আসলে কতো ভালো মেয়ে!! কারন একজন সুদর্শন যুবকের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে সে নিজের বাবা-মায়ের বাধ্যগত থাকছে..

তারপর রাহাত ফাইজার সাথে লতিফ সাহেবের কথা বলিয়ে দেয় মোবাইলে.. নিজের বাবার সাথে কথা বলে ফাইজা জানতে পারে যে রাহাত নিজের চেহারায় প্ল্যাস্টিক সার্জারি করিয়ে যুবক হয়ে গেছে, তাই তাকে কেউই চিনতে পারছে না!!

এই কথা শুনে তো ফাইজা হতবাক হয়ে যায়.. আসলে রাহাতের চেহারা রাতারাতি এতো পরিবর্তন হয়েছে যে ফাইজা কোনো ভাবেই এটা বিশ্বাস করতে চাইছিলো না যে বুড়ো রাহাত এখন যুবক হয়ে গেছে!! কিন্তু বিশ্বাস না করেও উপায় নেই!! রাহাত আসলেই বুড়ো থেকে যুবক হয়ে গেছে..

কিন্তু ফাইজার মনে রাহাতকে নিয়ে একটা সন্দেহ থেকেই যায়.. আর এটা রাহাত ও বুঝতে পারে.. কিন্তু দুজনই এই বিষয়ে আর কোনো কথা বাড়ায় না.. তাছাড়া রাহাত রোম্যান্টিক ভাবে ফাইজার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে থাকে.. শুরু হয়ে যায় রাহাত আর ফাইজার রোম্যান্স..

রাহাত কিন্তু ফাইজার সাথে অনেক-অনেক দুষ্টুমি করছিলো.. আর ফাইজা সেগুলো খুব উপভোগ করছিলো.. রাহাতের দুষ্টুমি আর সুদর্শন চেহারার কারনে ফাইজার মনে রাহাতকে বিয়ে করা নিয়ে আর কোনো আক্ষেপ থাকে না!! ফাইজা এখন মন থেকে রাহাতকে বিয়ে করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়..

সুযোগ পেয়ে রাহাত ও নিজের বহু বউ ফাইজার সাথে সময়টা enjoy করতে থাকে.. ফাইজাকে খোলামেলা পোষাকের দোকানে নিয়ে যায়.. ফাইজা খুব লজ্জা পাচ্ছিলো.. কিন্তু রাহাত তো ফাইজার সাথে মজা করেই যাচ্ছিলো.. এমনকি ফাইজাকে কিছু বিকিনি ও কিনে দেয়.. মানে নাইট ড্রেস টাইপের কিছু ড্রেস কিনে দেয়..

ফাইজা তো রাহাতকে বলেই ফেলে যে, সে তাকে এমন সব জামা কিনে দিয়েছে, যেইসব জামা সে কারো সামনে পরতেও পারবে না, আবার কাউকে লজ্জায় দেখাতেও পারবে না!! লজ্জায় ফাইজার মুখটা একেবারে লাল হয়ে গেছে!!

অবশেষে বাড়ি যাওয়ার সময় হলে রাহাত ফাইজাকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে চায়.. আর এবার ফাইজা রাজি হয়ে যায়!! মনে আছে আপনাদের সেই প্রথম দিকের ঘটনা?? রাহাত তখন দেখতে বুড়ো ছিলো.. তাই ফাইজাকে যখন রাহাত বাড়িতে পৌছে দিতে চেয়েছিলো, ফাইজা রাজি হয়নি..

কারন একটা বুড়ো লোকেকে সে কোনো ভাবেই নিজের স্বামী হিসেবে মেনে নিতে পারছিলো না.. তাছাড়া সমাজের লোকজন নানা রকম কথা বলবে সেই ভয়ে যে রাহাতের থেকে দূরে-দূরে থাকতো বাইরে বের হলে.. কিন্তু আজকে যেহেতু রাহাত দেখতে একজন যুবকের মতো.. তাই স্বাভাবিক ভাবেই ফাইজার আর কোনো সমস্যা নেই রাহাতকে নিয়ে..